নানা প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও বাজারে দাম ভালো থাকায় এবার পেঁয়াজ চাষের দিকে ঝুঁকছেন ফরিদপুরে কৃষকরা।
করোনা মহামারী ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে পেঁয়াজ রোপনে দেরী হলেও দাম বেশি থাকায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে বলে আশা কৃষকদের। এদিকে উচ্চ ফলনশীল জাতের পেঁয়াজের রোপনের পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।
ফরিদপুরের কৃষকরা এখন ব্যস্ত পেঁয়াজ রোপনের জন্য জমি তৈরিতে। কেউ রোপণ করছে পেঁয়াজ, কারো আবার পেঁয়াজ লাগানো শেষ।যেদিকে চোখ যাবে সেদিকেই এখন পেঁয়াজের খেত।
বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় ফরিদপুরের কৃষকদের পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বেশি। এছাড়া এ অঞ্চলের পেঁয়াজের জাত ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর চাহিদাও বেশি।
পেঁয়াজের ফলন ভালো হওয়ার পাশাপাশি বাজার দর থাকায় দূর্যোগের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন কৃষকরা এমনটাই জানিয়েছে কৃষি বিভাগের। করোনা, বন্যা এসব কারণে যা ক্ষতি হয়েছিল, তা কাটিয়ে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসলে দামও কমে ক্রেতারাও খুশি হবেন বলে জানান ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ হযরত আলী।
জেলায় গতবছর ৩৭ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও শেষ পর্যন্ত হয়েছিল ৩৯ হাজার ৮৭৮ হেক্টর জমিতে। এ বছর ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।