ads
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

চরমোনাই পীর ও মামুনুল সমর্থকদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪১ বার পঠিত

হোমজাতীয়
চরমোনাই পীর ও মামুনুল সমর্থকদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ

ডেস্ক এডিটর বার্তা বাজার
প্রকাশিত: ৭:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্র, ২৭ নভেম্বর ২০
Share

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর চরমোনাই পীর সৈয়দ ফয়জুল করীম এবং বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের সমর্থকরা জাতীয় বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় মিছিলে লাঠিচার্জ করে সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর তারা ভাস্কর্যবিরোধী স্লোগান দেয়। মিছিলে বাধা দিলে সমর্থকদের বিরোধে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হলে এ সময় পুলিশ সমর্থকদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মিছিল থেকে সাত-আট জনকে গ্রেফতার করে রমনা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ভাস্কর্যবিরোধী এই মিছিলে বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বিরোধী স্লোগানও দেয়া হয়। তবে মিছিলে তারা কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি এবং তাদের সঙ্গে মিছিলে ছিলো না কোনো ব্যানার কিংবা ফেস্টন।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন সম্প্রতি মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে এবং কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে তাদের।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানের সমর্থকরা বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ মিছিল করতে এসেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাদের হামলা করেছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. জাহিদুল ইসলাম কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতি শুক্রবার বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ সমাবেশ বা মিছিল বের করতে আমাদের কাছে চিঠি দিয়ে অনুমতি চেয়ে থাকে। কিন্তু আজকে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে যারা মিছিল বের করেছে তারা আগে থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। অনুমতি ছাড়াই তারা বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইট থেকে মিছিল বের করে। আমরা থামিয়ে তাদের দাবি সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সে বিষয়ে কোনও জবাব না দিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করেন। পরে আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিই। এ সময় কথা বলার মতো তাদের পক্ষে কোনও নেতা ছিলো না।’
হোমজাতীয়
চরমোনাই পীর ও মামুনুল সমর্থকদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ

ডেস্ক এডিটর বার্তা বাজার
প্রকাশিত: ৭:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্র, ২৭ নভেম্বর ২০
Share

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর চরমোনাই পীর সৈয়দ ফয়জুল করীম এবং বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের সমর্থকরা জাতীয় বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় মিছিলে লাঠিচার্জ করে সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর তারা ভাস্কর্যবিরোধী স্লোগান দেয়। মিছিলে বাধা দিলে সমর্থকদের বিরোধে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হলে এ সময় পুলিশ সমর্থকদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মিছিল থেকে সাত-আট জনকে গ্রেফতার করে রমনা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ভাস্কর্যবিরোধী এই মিছিলে বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বিরোধী স্লোগানও দেয়া হয়। তবে মিছিলে তারা কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি এবং তাদের সঙ্গে মিছিলে ছিলো না কোনো ব্যানার কিংবা ফেস্টন।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন সম্প্রতি মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে এবং কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে তাদের।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানের সমর্থকরা বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ মিছিল করতে এসেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাদের হামলা করেছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. জাহিদুল ইসলাম কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতি শুক্রবার বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ সমাবেশ বা মিছিল বের করতে আমাদের কাছে চিঠি দিয়ে অনুমতি চেয়ে থাকে। কিন্তু আজকে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে যারা মিছিল বের করেছে তারা আগে থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। অনুমতি ছাড়াই তারা বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইট থেকে মিছিল বের করে। আমরা থামিয়ে তাদের দাবি সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সে বিষয়ে কোনও জবাব না দিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করেন। পরে আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিই। এ সময় কথা বলার মতো তাদের পক্ষে কোনও নেতা ছিলো না।’

মো. জাহিদুল ইসলাম আরো বলেন, এখন পর্যন্ত বারবার তাদেরকে আমরা (পুলিশ) বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে, অনুমতি ছাড়া তারা এটা করতে পারে না। কিন্তু তারা তখনও কোনো কথা না শুনে কাকরাইলের কর্ণফুলী মার্কেটের সামনে পর্যন্ত চলে আসে। এতে যানবাহন চলাচল থেমে যায়।

রমনা থানা পুলিশের এসআই মামুন বলেন, ‘তৌহিদী জনতার ওই মিছিল থেকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য সাত-আট জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

সূত্রঃ বার্তাবাজার

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102