দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই দিনে শত্রুমুক্ত হয় ঠাকুরগাঁও ও বরগুনা।
আজ ৩রা ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে হানাদার মুক্ত হয় ঠাকুরগাঁও ও বরগুনা জেলা। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসররা আত্মসমর্পণ করে। দিবসটি উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।
৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে এইদিনে হানাদার মুক্ত হয় ঠাকুরগাঁও ও বরগুনা জেলা। ২৫ সে মার্চ কালরাতে পাকসেনারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরীহ বাঙালির ওপর। তাদের প্রতিরোধ করতে সারাদেশের মত ৬ নম্বর সেক্টর অন্তর্ভুক্ত ঠাকুরগাঁওয়েও গড়ে ওঠেছিল দুর্বার আন্দোলন।
২রা ডিসেম্বর রাতে ঠাকুরগাঁওয়ে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। ওই রাতেই শত্রু বাহিনী ঠাকুরগাঁও থেকে পিছু হটে। আর ৩রা ডিসেম্বর বিজয়ের বেশে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবেশ করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
এদিকে, মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের বুকাবুনিয়া সাব-সেক্টরের অধীনে ছিল তৎকালীন বরগুনা মহকুমা। ভারতে প্রশিক্ষণ শেষে বরগুনার মুক্তিযোদ্ধারা এলাকায় ফিরে এসে সেক্টর কমান্ডারের নেতৃত্বে যুদ্ধ শুরু করে।
একদিন স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবে রূপ পাবে, এমনটাই প্রত্যাশা দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য জীবন বাজি রাখা মুক্তিযোদ্ধাদের।