রাজধানী বাড্ডা এলাকায় কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বুধবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহারের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. তৌহিদা বেগমের সাক্ষ্য প্রদানের মধ্যে দিয়ে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর বিচারক ১৯ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।
মামলায় অভিযোগপত্রে আট জন সাক্ষীর মধ্যে ছয় জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯ বছর আগে মেয়েটির বাবা ও মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর মেয়েটি তার দাদির কাছে থাকতো। এরপর আসামি আরেক বিয়ে করে। গত ২০১৯ সালে এপ্রিল মাসে আসামি তার মেয়েটিকে রুপনগর আবাসিক এলাকার বস্তিতে নিয়ে যায়। এই নিয়ে মেয়েটির মা-বাবার ঝগড়া হয়। এরপর গত ২ মে মেয়েটিকে নিয়ে তার বাবা বাড্ডা আব্দুল্লাহবাগ এলাকায় বাসা ভাড়া নেয়। এরপর ৪ ও ৫ মে কামাল হোসেন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।
ওই ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে বাবা কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক আল-ইমরান আহম্মেদ আসামি কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ১২ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
#বাংলা ট্রিবিউন