নকশাবহির্ভূত হওয়ায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে দোকান। মালামাল নিয়ে মরিয়া হয়ে ব্যবসায়ীরা নেমে এসেছেন রাস্তায়। রাজধানীর গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া মার্কেটে একদিকে যখন চলছে তৃতীয় দিনের উচ্ছেদ অভিযান, তখন রাস্তায় বসেই পণ্য বিক্রির চেষ্টায় ব্যস্ত দোকানদার ও কর্মচারীরা। যদিও একপর্যায়ে সেখান থেকেও সরে যেতে হয় তাদের।
সকাল সকালই হকারদের এমন হাঁকডাক আর ক্রেতাদের আনাগোনা ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের সামনের সড়কে। তবে এরা কেউ আদতে হকার নয়। নকশাবহির্ভূত দোকান কিনে প্রতারিত হয়ে হারিয়েছেন রুটি রুজি, হারিয়েছেন আশ্রয়ও। তাই দোকান না থাকায় মালামাল নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসেছেন ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের শত শত ব্যবসায়ী।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীত মৌসুমই তাদের ব্যবসার জন মোক্ষম সময়। আর শীত মৌসুম চলে গেলে এসব কাপড় ফের ৮ থেকে ১০ মাস গুদামে রেখে দিতে হবে। তাই পেট বাঁচাতে তারা এখন রাস্তায়।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘এই শীতের কাপড়গুলো যদি এখন বিক্রি না করতে পারি তাহলে আর বিক্রি করতে পারব না। কারণ শীতের কাপড় শীতের সিজন ছাড়া চলে না। আর আমাদের সব পুঁজি শীতের কাপড়ের ভেতর। আমরা যদি এখন এই মালগুলো না বিক্রি করতে পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।’
এ পরিস্থিতির জন্য আগের নগর প্রশাসনের পাশাপাশি দোকান মালিক সমিতির নেতাদের দুষছেন তারা।
এক দোকান মালিক বলেন, ‘আমাদের থেকে কয়েক ধাপে টাকা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষমতাসীন লোকজন এই টাকা নিয়েছে।’
তবে বেলা সাড়ে ১২টার পর ফুটপাত থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় ব্যবসায়ীদের। এরপরই তৃতীয় দিনেও নকশাবহির্ভূত দোকান উচ্ছেদ শুরু হয়।