জয়পুরহাটে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করার দায়ে মামলার বাদী নন্দ রানীর ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার ( ৫ জানুয়ারি) দুপুরে, জয়পুরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ রুস্তম আলী এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নন্দ রানী কালাই উপজেলার বিয়ালা গ্রামের জীতেন চন্দ্র মালীর মেয়ে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, কালাই উপজেলার বিয়ালা গ্রামে ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে নিজ বাড়িতে নন্দ রানী রাতে একা রুমে শুয়ে পরেন। একই গ্রামের আবুল হায়াৎ আলী রাতে কৌশলে ঘরের দরজা খুলে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে। পরদিন নন্দ রানী কালাই থানায় জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত করী কর্মকর্তা মামলা তদন্তকালে সাক্ষী প্রমাণ না পাওয়ায় তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হওয়ায় আসমিকে অব্যাহতির দেওয়ার জন্য আদালতে প্রার্থনা করেন। পরে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই মামলার আসামিকে শাস্তি দিতেই এমন মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
ধর্ষণের এমন মিথ্যা মামলা করায় ৭ বছরের কারাদণ্ড ও একই সাথে আসামি রহুল আমিনকে এ মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন বিচারক।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি স্পেশাল (পিপি) এ্যাডভোকেট ফিরোজা চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।