ads
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

নির্যাতন করে টাকা নিয়ে ভুয়া পাসপোর্ট দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হতো জঙ্গলে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৩৫ বার পঠিত

রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক মানবপাচারকারী একটি চক্রের চার বাংলাদেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল বুধবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগের সিআইডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) শেখ ওমর ফারুক এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. হাবিবুর রহমান (৫১), মামুনুর রশিদ মামুন (৪১), মো. জামাল হোসেন (৪০) ও নাহিদুল ইসলাম পলাশ। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ২৮টি পাসপোর্ট, বিভিন্ন দূতাবাস, ব্যাংক ও এজেন্সির ১৯টি সিলমোহর ও ১০টি কম্বোডিয়ার জাল ভিসা উদ্ধার করা হয়েছে।

ওমর ফারুক বলেন, ‘এই চক্রটি বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে সক্রিয়। দীর্ঘদিন থেকে চক্রটি প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পূর্ব থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৬, ৭, ৮(২) এবং ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশের ১১(১) ও (গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ০৯।

অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক আরো বলেন, ‘গমনেচ্ছুদের ইউরোপের বিভিন্ন দেশ (মাল্টা, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি), মিসর, মালদ্বীপ, কম্বোডিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে লোক সংগ্রহ করছে। প্রথমে তাদের ভ্রমণ ভিসায় স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হতো। এরপর ভুয়া ভিসা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হতো। কেউ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো। টাকা আদায় শেষে ভারতের দালাল তাদের শ্রীলঙ্কায় পাঠানোর ব্যবস্থা করত। সেখানে তাদের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হতো। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে এভাবে চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।’

ওমর ফারুক বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি, তারা এই কাজে ছয় থেকে সাত বছর ধরে করছে। তবে আরো তথ্য পেয়েছি, তারা অন্তত ১০০ লোককে পাচার করেছেন। তবে আমরা এখনও পর্যন্ত সেসব ভিকটিমদের সন্ধান পাইনি।’

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102