ads
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

জলমহাল নিয়ে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল বৃদ্ধ জেলের

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৩৮ বার পঠিত

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার সুনই জলমহালের দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় এক জেলে নিহত এবং উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। জলমহালে থাকা একপক্ষের স্থাপনা পুড়িয়ে দিয়েছে অপর পক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় জলমহাল পাড়ের আশপাশের গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করায় সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দ্বন্দ্বে জড়িত দুই পক্ষের মধ্যে একপক্ষে (হামলাকারী) স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের ভাই ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রুখন ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, ধর্মপাশার বৃহৎ জলমহাল সুনই নিয়ে দুই মৎস্যজীবী সমিতির দ্বন্দ্ব চলছে অনেক দিন ধরে। জলমহালের খাজনা পরিশোধ করে দুই পক্ষই মহালের মালিকানা দাবি করে আসছে। একপক্ষ সম্প্রতি স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনও করেছিল। এই দ্বন্দ্বের জেরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় জলমহালের পাড়ে থাকা একপক্ষের মাছের খলায় আরেকপক্ষ আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন শ্যামাচরণ বর্মণ নামের ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ জেলেকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে।

সুনামগঞ্জের এসপি মো. মিজানুর রহমান জানান, জলমহালটির ইজারা নিয়ে স্থানীয় দু’টি মৎস্যজীবী সমিতির দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। দুই মৎস্যজীবী সমিতির নেতা চন্দন বর্মণ এবং সুবীর বর্মণ মহালের খাজনা জমা দিয়ে রশিদ দেখিয়ে জলমহালের দখল নিতে চাইলে জেলা প্রশাসন কাউকেই দখল বুঝিয়ে দেয়নি। কিন্তু দুই পক্ষই ওখানে মাছ ধরার জন্য স্থাপনা (খলা) নির্মাণ করেছে। চন্দন বর্মণের পক্ষ উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ পায়।

জলমহালে অন্য পক্ষের লোকজনও দখলে ছিল। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওখানকার স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য ইউএনওকে নির্দেশ দিলেও তিনি নির্দেশ প্রতিপালন করেননি। বিষয়টি বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এই অবস্থায় সুবীর বর্মণের লোকজন অন্যপক্ষের স্থাপনায় হামলা করেছে। এসময় চন্দন বর্মণের বাবা শ্যামাচরণ বর্মণ খুন হয়েছেন।

তিনি বলেন, হামলাকারীদের সঙ্গে স্থানীয় এমপির ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রুখন ছিলেন বলে জানা গেছে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102