দীর্ঘ ৯ বছর পর ঢাকার তুরাগ থানার রানাভোলায় স্ত্রী জেসমিন হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় স্বামী মো. শহিদুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে আসামির উপস্থিতে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণায় বিচারক বলেন, ‘এ মামলায় ডাক্তারি পরীক্ষাসহ সাক্ষীদের দেয়া সাক্ষ্যে হত্যার বিষয়টি প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিকে খালাস দেয়া হল।’ আসামি শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা না থাকলে তাকে দ্রুত খালাস দেয়ারও নির্দেশ দেন বিচারক।
এর আগে, ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আদালত আসামি স্বামী শহিদুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন। আর ২০১১ সালে ২৬ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগ পত্র দেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে মোট ১২ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২২ আগস্ট রাত ১২টা থেকে রাত ৩টার মধ্যে ঢাকার তুরাগ থানাধীন রানাভোলায় মুক্তার হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। ঘটনার সময় জেসমিন আক্তারের সাড়ে চার বছরের কন্যাসন্তান তাসমিনা আক্তার এ ঘটনা নিজ চোখে দেখে ফেলে। এরপর, তাসমিনা আক্তার বাবা শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেয়।