ads
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

৬ বছর স্কুলে না গিয়েও বেতন-ভাতা তুলতেন প্রধান শিক্ষক

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৩৮ বার পঠিত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বৈরাগীপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আমেনা খাতুনসহ ৩ সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা আমেনা খাতুনের দুই বছরের বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। সহকারী ৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও তদন্ত হচ্ছে। তবে বেতন বৃদ্ধি বন্ধ ছাড়া অন্য কোন ধরণের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে কাজে যোগদানের অনুমতি দেয় বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

জানা যায়, আমেনা খাতুন দীর্ঘ ৬ বছর ধরে বৈরাগীপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কাগজে কলমে দায়িত্ব পালন করলেও স্কুলে ছিলেন অনুপস্থিত। অথচ বেতন ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন নিয়মিত। স্কুলের অন্য ৩ সহকারী শিক্ষকও স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত না থেকে দায়িত্বে অবহেলা করে আসছিলেন। তারা স্কুলে না গিয়ে অন্য লোককে প্রক্সি খাটিয়ে কাজ চালাচ্ছিলেন।

স্থানীয় শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে বছরের পর বছর এ অনিয়ম চালিয়ে আসছিলেন তারা। এক পর্যায়ে স্থানীয় অভিভাবকরা বিষয়টি লিখিতভাবে বিভাগীয় পরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা, সিলেটকে জানালে অভিযোগের তদন্ত করা হয়। সত্যতা পেয়ে আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। এ মামলায় তার দুই বছরের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়। এছাড়া অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আজাদ, সীমা দেবসহ ৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমীরুল ইসলাম জানান, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অন্য সহকারী শিক্ষকদের অনিয়মের ব্যাপারে আমরা তদন্ত করছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া বর্তমানে তারা ঠিকমত দায়িত্ব পালন করছে কিনা এ ব্যাপারে আমরা বিশেষভাবে নজরদারী করছি।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102