সাকিব আল হাসানের স্পিন জাদুর আক্রমণ সামলে প্রতিরোধ গড়েছিলেন রভম্যান পাওয়েল ও কাইল মায়ারস। ষষ্ঠ উইকেটে যোগ করে ফেলেছিলেন ৫৯ রানের জুটি। ব্রেকথ্রুর লক্ষ্যে দুই অভিজ্ঞ পেসার রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানকে আক্রমণে এনেও সুফল পাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল। অগত্যা বল তুলে দেন অভিষিক্ত হাসান মাহমুদের হাতে।
অধিনায়কসহ পুরো দলের মুখে হাসি ফেরাতে খুব বেশি সময় নেননি ২১ বছর বয়সী হাসান। নিজের দ্বিতীয় স্পেলের দ্বিতীয় ওভারে শুধু জুটিই ভাঙেননি, পরপর দুই বলে নিয়েছেন দুই উইকেট, জাগিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও। শেষপর্যন্ত হ্যাটট্রিক হয়নি, তবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেজের সারির ব্যাটসম্যানদের বিদায় করেছেন হাসান মাহমুদ।
ইনিংসের ২৮তম ওভারে দ্বিতীয় স্পেলে আনা হয়েছিল হাসানকে। প্রথম স্পেলে করা ৩ ওভারে তিনি উইকেটশূন্য থাকেন ১৪ রান খরচায়। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে প্রথম ওভারে তেমন কিছু করতে পারেননি। তবে দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করে সাজঘরে ফেরান আক্রমণাত্মক খেলতে শুরু করা রভম্যান পাওয়েলকে। দুটি করে চার-ছক্কার মারে ৩১ বলে ২৮ রান করেন পাওয়েল।
ঠিক পরের বলেই তিনি আউট করেন রেমন রেইফারকে। হাসানের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিটি বুঝতে পারেননি রেইফার, আঘাত হানে প্যাডে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। ফলে হ্যাটট্রিকের সুযোগ আসে হাসানের সামনে। কিন্তু পরের বলে আর উইকেট নিতে পারেননি হাসান, করতে পারেননি তাইজুল ইসলামের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড।
নিজের পরের ওভারে প্রতিপক্ষের অভিষিক্ত স্পিনার আকিল হোসেনের উইকেটও নেন হাসান। মাঝের ওভারে ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার কাইল মায়ারসকে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ। ইনিংস শেষে দেখা গেলো ৬ ওভারে ১ মেডেন নিয়ে ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ততক্ষণে অবশ্য ১২২ রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ।