৩১৩ দিন পর আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলো বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে ক্রিকেটে মাঠে নামল বাংলাদেশ। এই ম্যাচে অভিষেক হল হাসান মাহমুদের।
ঘরোয়া ক্রিকেট ও বঙ্গবন্ধু বিপিএলে ধারাবাহিক পারফর্ম করায় জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপেরও ভালো বল করেছেন তিনি। লক্ষ্মীপুরের এই পেসার নিয়মিতই বল করতে পারেন ১৪০ কিলোমিটারের আশেপাশে। যা গত বিপিএলেও প্রমাণ করেছেন।
অনেক সময় রান দিলেও দারুণ কিছু ডেলিভারিতে নিজের সম্ভাবনার প্রমাণও রেখেছেন। ঢাকা প্লাটুনের হয়ে ১৩ ম্যাচে নিয়েছেন ১০ উইকেট। ৩ জানুয়ারি সিলেটে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৩২ রানে ৪ উইকেট নেয়াই তার সবচেয়ে বড় সাফল্য।
হাসানের বোলিংয়ে কিছু বৈচিত্র্য থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছেন গতি দিয়ে। সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৪২.৪০ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করেছেন এ টুর্নামেন্টে।
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানও একাধিকবার তার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘হাসান মাহমুদ একজন সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার। সে বেশ জোরে বল করতে পারে।’
তাই গতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিকে তাকিয়েই হাসানকে দলে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক।