আবাসিক হল খোলার বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত দিতে না পারায় শিক্ষার্থীরা হল গেটের তালা ভেঙে অবস্থান নিয়েছে।
এর আগে হল খোলাসহ ৩ দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। সহিংস পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে পুলিশ।
ক্যাম্পাস বন্ধ থাকলেও শরিবার সকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে থাকা কয়েকশো শিক্ষার্থী জড়ো হন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে।
এসময় গ্রামবাসীর সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় হল খোলাসহ আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয়বহন, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে গেরুয়া এলাকায় স্থায়ীভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের দাবি করা হয়।
সংঘর্ষের ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে শিক্ষার্থী এবং গ্রামবাসীর রয়েছে পাল্টপাল্টি অভিযোগ। পরে, সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সময় বেঁধে দেয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ে দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় হলগেটের তালা ভাঙে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
এদিকে সরকারের সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা ছাড়া এখনই আবাসিক হল খুলে দেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিরোজ উল হাসান বলেন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ আছে। এটি একান্তই একটা সরকারি সিদ্ধান্ত। সরকারি সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে কোন বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সরকার যে মুহূর্তে সিদ্ধান্ত দিবে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেবার জন্য সাথে সাথেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে দিব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন গেরুয়া বাজারে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে জাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক আহত হয়।