মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বৈদ্যারগাঁও গ্রামের মো. শাহ আলম (২৩) হত্যার ঘটনার তার মা হামিদা বেগম (৪৫), বোন নার্গিস আক্তার (২১) ও ভগ্নিপতি সবুজ মিয়াকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শাহ আলম গ্রামটির শিকদার বাড়ি নজরুল ইসলামের পুত্র।
শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শাহ আলম আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে গজারিয়া থানার ওসি রইছ উদ্দিন বাড়িটিতে যায়। পরিবারের সদস্যদের আচরণে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাবাদের জন্য পরিবারের চার জনকে আটক করা হয়। পরে নিহতের ভাই সাদেক হোসেন সিকদার বাদী হয়ে মা, বোন ও ভগ্নীপতিকে আসামি করে গজারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
৯ ঘন্টার মাথায় পুলিশ হত্যারহস্য উদঘাটনসহ সব আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গজারিয়া থানার ওসি জানান, শাহ আলমের শরীরে ছুরির আঘাত রয়েছে। নিহতের স্বজনদের মাধ্যমে খবর পেয়ে শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন নিহতের লাশ বাড়ির মেঝেতে পড়ে আছে। স্বজনদের দাবি রাত পৌনে একটার দিকে নেশার টাকা জোগার করতে না পেরে নিজের মাথায় ও হাতে ধারালো ছুরি ও ব্লেড দিয়ে আঘাত করে শাহ আলম। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজনদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তবে নিহতের ভাই জানান, ঝগড়ার এক পর্যায়ে মা, বোন ও ভগ্নীপতি তার ভাই সাদেককে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে হত্যা করে প্রথমে লাশ ঝুলিয়ে রাখে। পরে আবার নামিয়ে রাখা হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।