ধামরাইয়ে এক প্রতিবন্ধী যুবককে বলাৎকারের অভিযোগে দুই আসামির মধ্যে আবদুল বারেক (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। আলামিন (২৫) নামের আরেক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের মধ্য দেপাশাই স্কুল পাড়া গ্রামে। রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে আবদুল বারেককে আটক করা হয়। আটক আবদুল বারেক দুদু মিয়ার ছেলে। আর পলাতক আলামিন মৃত আতা মিয়ার ছেলে। তাদের দু’জনের বাড়ি একই গ্রামে।
বারেকের বিরুদ্ধে এই ধরনের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বারেক ও আলামিন পূর্বে একাধিকবার ওই প্রতিবন্ধীর সাথে বলাৎকারের ঘটনা ঘটিয়েছে। বলাৎকারের স্বীকার ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, ধামরাইয়ের দেপাশাই গ্রামের প্রতিবন্ধী এক যুবককে কিছুদিন পূর্বে নির্জন স্থানে নিয়ে বলাৎকার করেন দুই সন্তানের জনক আবদুল বারেক ও আলামিন। পরবর্তীতে পাশবিক নির্যাতনের শিকার ওই প্রতিবন্ধী পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানিয়ে দেন। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ধামরাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই প্রতিবন্ধী যুবকের বাবা আনোয়ার হোসেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বারেককে আটক করে পুলিশ ।
থানা হেফাজতে থাকা আবদুল বারেক জানান, ঘটনাটি একবার ইসরাফিলসহ কয়েকজন মিলে মীমাংসা করে দিয়েছেন। ঘটনাটি মীমাংসা করার কথা বলে স্থানীয় মাতব্বররা মিলে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে। ভোক্তভুগীর অবস্থা নাজুক, তাই তার পিতা থানায় মামলা করেন।
ভুক্তভোগীর পিতা বলেন, বারেক ও আলামিন আমার প্রতিবন্ধী সন্তানের প্রতি অমানবিক আচরণ করেছেন। আমি তাদের উপযুক্ত বিচার চাই।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আতিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বলাৎকারের কথা স্বীকার করেছেন আবদুল বারেক। পলাতক আসামি আলামিনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।