ads
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ভারতে করোনার নতুন ধরন, সংক্রমিত ২৪০

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ৩৭ বার পঠিত

সংকটের মেঘ কেটে গেছে ভাবলে ভুল হবে। এখনই করোনা সংক্রমণ নিয়ে হেলাফেলা ঠিক হবে না। কারণ কোভিড-১৯ ভাইরাসের নতুন যে স্ট্রেইন ভারতে ধরা পড়েছে, তা আরও ভয়ংকর বলে দাবি করেছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের (এমস) প্রধান রণদীপ গুলেরিয়ার।

তার দাবি, ভারতে করোনার নতুন স্ট্রেইন অন্যগুলোর চেয়ে অনেক বেশি ভয়ংকর। শুধু দ্রুত হারে সংক্রমণ ছড়িয়েই পড়ে না, এই ভাইরাস একবার শরীরে ঢুকলে অনেক বিপদ ঘটতে পারে। এমনকি যারা এক বার করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন, তাদের শরীরেও নতুন করে বাসা বাঁধতে পারে ভাইরাসের এই নতুন ধরন। শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতিতিও তাকে রুখতে পারে না।

সম্প্রতি মহারাষ্ট্রেই প্রথম করোনার এই নতুন ধরনের সন্ধান মেলে। দেশের সর্বত্র এখনও পর্যন্ত মোট ২৪০ জনের শরীরে মরণ ভাইরাসের এই নতুন ধরনের খোঁজ মিলেছে। এই মুহূর্তে বিভিন্ন রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পেছনেও এই প্রজাতিই দায়ী বলে মনে করছেন মহারাষ্ট্র সরকাররে কোভিড টাস্ক ফোর্সের সদস্য শশাঙ্ক জোশী। মহারাষ্ট্র ছাড়াও কেরল, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ় এবং পঞ্জাবে গত কয়েক দিন ধরে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে। তাই সতর্কতা মেনে চলা উচিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

১৩০ কোটির দেশে ব্যাপকসংখ্যক মানুষের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে এই মুহূর্তে টিকাকরণে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথম দফায় আপাতত স্বাস্থ্যকর্মী এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। দ্বিতীয় দফায় প্রাধান্য পাবেন ২৪ কোটি পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং কোমর্বিডিটি রয়েছে এমন মানুষরা। তার পর ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষকে টিকাকরণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের।

কিন্তু ভারতের মতো দেশে ব্যাপক হারে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে মত গুলেরিয়ার। তার মতে, যখনই কোনও ভাইরাস চরিত্র বদল করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার সব কলকব্জা এড়িয়ে যাওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয় তার মধ্যে। সে ক্ষেত্রে প্রতিষেধক নেওয়ার পরেও যে কেউ নতুন করে সংক্রমিত হতে পারেন।

এই মুহূর্তে অক্সফোর্ড এবং সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেক এবং আইসিএমআরের তৈরি কোভ্যাক্সিন প্রতিষেধকই ভারতে টিকাকরণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক-ভি প্রতিষেধকও ভারতে ছাড়পত্র পাওয়ার পথে। সাময়িক করোনাকে রুখতে সক্ষম হলেও নতুন ভাইরাসের বিরুদ্ধে সেগুলোর কার্যকারিতা তুলনামূলক কম হবে বলে জানিয়েছেন গুলেরিয়া। অর্থাৎ সংক্রমণ থেকে হয়তো রক্ষা পাবেন না মানুষ, তবে তার প্রভাব ততটা ক্ষতিকারক না ও হতে পারে। তাই যত সম্ভব বেশি মানুষের করোনা পরীক্ষা করানো, সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা মানুষের হিসাব রাখা এবং সংক্রমিতদের নিভৃতবাসে পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102