ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মত অপরাধ থেকে বাঁচতে বাফুফের শাস্তি আইন সংশোধন প্রয়োজন। সরকারেরও সুনির্দিষ্ট আইন ও শাস্তির ব্যবস্থা থাকা উচিত। অন্যথায শুধু ফুটবল নয় ধ্বংস হবে দেশের গোটা ক্রীড়াঙ্গণ এমনটা জানালেন সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট খালিদ হোসেন সরকার।
ক্রিকেটে এ অঞ্চলে স্পট বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনা বেশ রমরমা। তবে ফুটবলে তেমনটা শোন যায় না। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সুযোগ না থাকলেও ঘরোয়া ফুটবলে ফিক্সিং চর্চা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। কেননা পয়েন্ট পাইয়ে দেয়ার সংস্কৃতি ঢাকার লিগে বেশ পুরোনো। এর মধ্য দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার চান্সতো থাকেই। তবে যাই হোক প্রমাণ মিললে বহিস্কার।
বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের হুঁশিয়ারি আবারো। তিনি বলেন, ফিক্সিং রোধে যে তদন্ত কমিটি করা হবে সেখানে বাফুফের কোন সদস্য থাকতে পারবে না। এই কমিটিতে পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থার লোক থাকবে। আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি কাদের এই দায়িত্ব দেয়া যায়। তবে আমি স্পষ্ট বলতে চাই, যদি কারো বিরুদ্ধে ফিক্সিং এর প্রমাণ পাওয়া যায়, আমি বোর্ডকে অনুরোধ করবো যাতে সেই ক্লাবকে বহিষ্কার করা হয়।
ম্যাচ বা স্পট ফিক্সিংয়ে বাফুফের আইনে শাস্তির বিধান কেমন। রাষ্ট্রের আইনই বা কেমন। জানতে চাওয়া হয় সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবি খালিদ হোসেন সরকারের কাছে। কেননা স্পট ফিক্সিং মামলায় আশরাফুলের আইনজীবী ছিলেন তিনি।
খালিদ হোসেন সরকার বলেন, ফুটবলে ফিক্সিং এর ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোন আইন নেই। তবে ফিক্সিং নিয়ে আমাদের দেশে অনেক পুরাতন কিছু আইন আছে। এইটা রোধে আমাদের আইনে কিছু সংশোধন করা উচিত বলে আমি মনে করি। এক্ষেত্রে ফুটবল ফেডারেশনকেই উদ্যোগ নিতে হবে যে কি ধরণের শাস্তি নেয়া যায়।
তার মতে ফুটবলারদের পাশাপাশি সংগঠকদেরও ফিক্সিং বিরোধি কাউন্সিলিং করাতে হবে।