ফেনীর ফুলগাজীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় ওহিদুল আলম শাওন নামে এক পুলিশ সদস্যকে রাঙামাটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার ফেনীর আদালতে পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ২২ ধারায় এ ঘটনায় জবানবন্দি দিয়েছেন ওই স্কুল ছাত্রী। সে ফুলগাজীর একটি স্কুলের নবম শ্রেনীর ছাত্রী। গত ১২ই ফেব্রুয়ারি সে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কামরুল হাসান তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। অভিযুক্ত কনস্টেবল ওহিদুল আলম শাওন এর আগে ফুলগাজী থানায় কর্মরত থাকলেও বর্তমানে রাঙামাটিতে একটি ফাঁড়িতে কর্মরত।
আদালত সূত্র জানায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে শাওন ফুলগাজী থানায় কর্মরত থাকাকালে এক বছর আগে ওই ছাত্রীর সাথে সম্পর্কে জড়ায়। তার গর্ভে সন্তান চলে আসে। বার বার শাওনকে বিয়ে করার চাপ দেয়া হলেও সে রাজী হয়নি। পারিবারিকভাবে চেষ্টা করেও ফল পাওয়া যায়নি। গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ওই ছাত্রী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। বৃহস্পতিবার ছাত্রীটি ফুলগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন।
থানার উপ পরিদর্শক রাশেদুল ইসলামকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। মামলায় বলা হয়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে ছাত্রীটির সাথে সখ্যতা এবং একদিন ঘুড়েবেড়ানোর কথা বলে ফেনী শহরের কোন একটি বাসায় নিয়ে ফলের জুসের সাথে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দিয়ে ধর্ষণ করা হয়। প্রায় তিন ঘন্টাপর জ্ঞান ফিরলে ছাত্রীটি যখন বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করে তখন তার অশ্লীল ভিডিও ধারন করা হয়েছে বলে জানিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। এভাবে একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সে।