যেভাবে ফিরে এলেন এরিকসন

ইউরোর ষোলতম আসরের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত ১০ টায় গ্রুপ বি এর ১ম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড। যে মুহূর্তটি কেউ আশাই করেনি সেটিই দেখতে হলো ফুটবল বিশ্বকে। ১মার্ধের ৪২ মিনিটে সতীর্থ এক খেলোয়াড় থ্রো করেছিলেন ডেনমার্কের ১০ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় ক্রিস্তিয়ান এরিকসনকে। কিন্তু হঠাৎই তিনি মুখ থুবড়ে পড়েন। পিনপতন নীরবতা নেমে আসে পুরো মাঠ জুড়ে। অন্য খোলোয়ারদের আহবানে, রেফারি অ্যান্টনি টেলর যখন মেডিকেল টিমকে মাঠে প্রবেশের ইশারা দেন, তা সবাইকে ভয় ধরিয়ে দেয়। তবে কি সবশেষ? কিন্তু মেডিকেল টিম মাঠে প্রবেশ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাচ্ছিলেন না দলটির অধিনায়ক সিমোন কায়ের।

ইউরোর ষোলতম আসরের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত ১০ টায় গ্রুপ বি এর ১ম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড। যে মুহূর্তটি কেউ আশাই করেনি সেটিই দেখতে হলো ফুটবল বিশ্বকে। ১মার্ধের ৪২ মিনিটে সতীর্থ এক খেলোয়াড় থ্রো করেছিলেন ডেনমার্কের ১০ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় ক্রিস্তিয়ান এরিকসনকে। কিন্তু হঠাৎই তিনি মুখ থুবড়ে পড়েন। পিনপতন নীরবতা নেমে আসে পুরো মাঠ জুড়ে। অন্য খোলোয়ারদের আহবানে, রেফারি অ্যান্টনি টেলর যখন মেডিকেল টিমকে মাঠে প্রবেশের ইশারা দেন, তা সবাইকে ভয় ধরিয়ে দেয়। তবে কি সবশেষ? কিন্তু মেডিকেল টিম মাঠে প্রবেশ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাচ্ছিলেন না দলটির অধিনায়ক সিমোন কায়ের।

এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা সংক্রান্ত নিজের যাবতীয় ধারণা তিনি প্রয়োগ করলেন, এরিকসেনের জন্য। প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি বুকে অনবরত চাপ প্রয়োগ করে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস চালু রাখেন যতক্ষণ পর্যন্ত না মাঠের বাইরে থেকে চিকিৎসকরা এসে তাকে সিপিআর দেয়া শুরু না করেন। সিমোন কায়েরের এমন তৎপরতা এরই মধ্যে মনোযোগ কেড়েছে পুরো বিশ্বে। সবাই বলছেন, ভেঙে না পড়ে একেবারে সামনে থেকেই এ সংকট মুহূর্তে নেতৃত্ব দিয়েছেন ডেনিশ অধিনায়ক।

এরিসকসেনের ওভাবে মাঠে পড়ে যাওয়ার পরের এক ঘণ্টা ফুটবল বিশ্বের জন্য ছিল চরম উৎকণ্ঠার। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তখন প্রার্থনা যেন সুস্থ হয়ে ওঠেন ডেনিশ তারকা। উয়েফা যখন বিবৃতি দিয়ে জানাল, এরিকসেন সুস্থ আছেন, স্থিতিশীল আছেন, তখন কায়েরের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোকে কৃতিত্ব দিয়েছেন সবাই। এমন সময়ে মাথা ঠান্ডা রেখে এরিকসেনের জীবন বাঁচাতে কায়েরের পদক্ষেপগুলো ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নেবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।

ম্যাচ শেষে এরিকসেনকে সুস্থ করে তোলার সেই ভয়ংকর মুহূর্তের বর্ণনা দেন, ডেনমার্ক দলের চিকিৎসক। সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসক মার্টিন বোসেন বলেন, রেফারি যখন আমাদের মাঠে ডাকেন আমি নিজে প্রথমে দেখিনি, তখনো এটা পরিষ্কার ছিল যে এরিকসেন জ্ঞান হারিয়েছেন।

এরপর চিকিৎসক তার চিকিৎসার ধাপগুলো বর্ণনা করেন, আমি প্রথমে ওকে যখন দেখি, তখন তিনি নিশ্বাস নিতে পারছিলেন। তার হৃৎস্পন্দন ছিল। কিন্তু হঠাৎ পরিস্থিতি পাল্টে যায়। তখন তাকে সিপিআর দিতে হয়। পুরো জিনিসটাই খুব দ্রুত হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এরিকসেনকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি।

আরো পড়ুন