যে কারণে ফের টিকটক চালু করতে বাধ্য হলো পাকিস্তান

নিষেধাজ্ঞা জারির দু’দিনের মাথায় ফের পাকিস্তানে টিকটক চালুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সিন্ধ উচ্চ আদালতের নির্দেশে এই চীনা অ্যাপের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এই অ্যাপটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাধ্য হয় দেশটির আদালত।

গত ২৮ জুন একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাপটিকে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল সিন্ধের উচ্চ আদালত। টিকটকের মাধ্যমে অনৈতিকতা ও অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

সিন্ধের উচ্চ আদালতের নির্দেশে টিকটক বন্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল পাকিস্তান টেলিকম অথরটিকে (পিটিএ)। তবে শুক্রবার ওই মামলার শুনানি চলাকালে পিটিএ এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন করে। একইসঙ্গে পিটিএ অনৈতিক ও অশ্লীল কনটেন্ট প্রচার বন্ধে ব্যবস্থা নেবে বলেও জানায়।

পাকিস্তান টেলিকম অথরটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই টিকটকের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় সিন্ধ হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অনৈতিক ও অশ্লীল কনটেন্ট বন্ধের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়াও নির্দেশ দেয় আদালত।

এর আগে ১০ দিনের জন্য পেশোয়ার হাইকোর্টের নির্দেশে টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে অবশ্য টিকটক কর্তৃপক্ষ অনৈতিক ও অশ্লীল কনটেন্ট সরানোর আশ্বাস দেওয়ায় সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময় টিকটক স্থানীয় আইন মেনে ব্যবসা করার কথা জানিয়েছিল।

পাকিস্তানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর সরকারের সেন্সরশিপের বরাবরই সমালোচনা করে আসছে বাকস্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা সংগঠনগুলো।

চীনের তৈরি এই ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপের অনেক ব্যবহারকারী আছে পাকিস্তানে। দেশটিতে অনেকেই অনলাইনে কেনা-বেচার জন্যও এই অ্যাপ ব্যবহার করে।

তবে অশ্লীলতা আর সমকাম, বিকৃতকামের মতো বিষয়টিগুলো টিকটকের মাধ্যমে সহজেই ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে পাকিস্তানের কঠোর রক্ষণশীল মুসলিমরা।

আরো পড়ুন