আওয়ামী লীগের কর্মীসভায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশ চলাকালে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ১নং ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমানের বাসভবনের সামনে মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস ইসলাম লিয়নের সমর্থক দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের পাশেই নাসিক ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে কর্মিসভা চলছিল। এ সময় মিজমিজি টিসি রোড এলাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষ সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্মী সমাবেশ চলাকালে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের নেতা ইলিয়াস ইসলাম লিয়নের এক সমর্থক আরেক সমর্থকের শরীরে হাত দেয়াকে কেন্দ্র করে দুইটি গ্রুপে ভাগ হয়ে তানভীর, ইয়াছিন, সাইদুল ও ফাহিমসহ কয়েকজনের তর্ক-বিতর্ক হয়। এরপর তর্কবিতর্ক রূপ নেয় মারামারিতে। এ সময় ৮-১০ জন কর্মী জখম হন।

কর্মী সমাবেশের এমন মারামারি দেখে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা দুই গ্রুপকে বুঝানোর জন্য রাস্তায় আনলে মারামারি আরও বেড়ে যায়। এতে টিসি রোডে যান চালাচল বন্ধ হয়ে উভয় দিকে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। তবে পরবর্তীতে সিনিয়র কয়েকজন নেতার হস্তক্ষেপে মারামারি থেমে যায়।

ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস ইসলাম লিয়ন চুন ব্যবসায়ী আনোয়ার ইসলামের ছেলে। তিনি গত দুইবার নাসিক ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন।

সব অভিযোগ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস ইসলাম লিয়ন বলেন, আমাদের কর্মীরা সবাই সবার প্রতি আন্তরিক ও শ্রদ্ধাশীল। তারা কখনই এমন কাজ করবে না। তবে হাতাহাতির ঘটনা আমিও শুনেছি, বিস্তারিত জানি না।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, আনোয়ারের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস কিছু ছেলে ভাড়া করে এনেছিল, তারাই নিজেদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি করেছে।

আরো পড়ুন