‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে জিয়া হত্যার ঘটনা তদন্তে কমিশন হবে’

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে নতুন কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপি মহাসচিব এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, আমি একটা কথা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা যদি ক্ষমতায় আসি একটা নতুন কমিশন গঠন করবো। সেই কমিশন হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যার বিচারের জন্য। আমরা জানতে চাই, কারা এই হত্যার পেছনে ষড়যন্ত্র করেছে; সেটারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গতকাল বুধবার (৩১ আগস্ট) আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ঘটনার নেপথ্য চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করতে কমিশন গঠন করা হবে’ বলে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেন। এরপরই বিএনপি প্রতিষ্ঠাতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন দলটির মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ন্যায়সঙ্গত যে আন্দোলন- জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে যে আন্দোলন চলছে, সেই আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য সন্ত্রাসী বাহিনী ও পুলিশের পেটোয়া বাহিনীর লেলিয়ে দিয়েছে। তাদের হামলায় সারা দেশের অসংখ্য নেতা-কর্মী আহত হয়েছে, অসংখ্য নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিহতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা অবিলম্বে হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি করছি। একটি কথা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, হত্যা-গুম-হামলা করে জনগণের ন্যায্য দাবি, গণতন্ত্রকে ফিরে পাওয়ার যে আন্দোলন তাকে দমন করা যাবে না। জনগণের বিজয় চলছে, চলতে থাকবে।

শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তারা প্রয়াত নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, জয়নুল আবদিন ফারুক, মশিউর রহমান, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, কেন্দ্রীয় নেতা রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, শ্যামা ওবায়েদ, আবদুস সালাম আজাদ, জহির উদ্দিন স্বপন, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আলম, মীর সরফত আলী সপু, রুমিন ফারহানা, শাম্মী আখতার, সাইফুল আলম নিরব, কাদের গনি চৌধুরী, আতিকুর রহমান রুমন, শায়রুল কবির খান, মহানগর বিএনপির রফিকুল হক, রফিকুল আলম মজনু, যুব দলের সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদসহ অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

আরো পড়ুন