আসছেন নোরা, কাঁদতে কাঁদতে যা বললেন আয়োজক ইসরাত

নোরা ফাতেহির বাংলাদেশ সফর নিয়ে আলোচনা সমালোচনার যেন শেষ নেই। তর্ক-বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ১৮ নভেম্বরই বাংলাদেশে আসছেন ভারতীয় আইটেম গার্ল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। এনবিআর বাধা দিলেও সব প্রশাসনিক উইংকে সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

এ নিয়ে জল ঘোলা ও প্রতারণার দায়ে ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মিরর গ্রুপের কর্ণধার শাহ জাহান ভূইয়া রাজু।

কানাডিয়ান এই মডেল, অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মূলত উপমহাদেশীয় দর্শকদের অন্তরে ঠাঁই করে নিয়েছেন বিভিন্ন চলচ্চিত্রের হিট আইটেম সংয়ে সরব উপস্থিতি দিয়ে।

জনপ্রিয়তার কারণেই তার চাহিদা বেড়েছে। নোরার কয়েকবার ঢাকায় আসার গুঞ্জন উঠলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। পরে চারটি শর্তে একটি পুরস্কার প্রদান তথ্যচিত্রের শুটিংয়ে অংশ নেবার অনুমতি মেলে। কিন্তু এনবিআর জানায়, তারা এ নিয়ে উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের কাছ থেকে কোনো চিঠি পায়নি। ফলে আবারও ঝুলে যায় নোরার ঢাকা আসা।

এই নাটকীয়তা নতুন মোড় নেয় যখন মিরর গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠান দাবি করে তারাও নোরাকে আনতে চেয়েছিল। দেয়া হয়েছে অগ্রিম টাকাও। যা ফেরত চাওয়া হয় আয়োজক উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের কাছে। তাদের নাম ভাঙিয়ে নানাজনের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেবারও অভিযোগ ওঠে। উপায়ন্তর না পেয়ে বনানী থানায় প্রতারণার মামলা করে আয়োজকরা।

উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের ইশরাত মারিয়া কাঁদতে কাঁদতে চ্যানেল 24’কে বলেন, আমাকে বারবার হয়রানি করা হচ্ছে। আমি একটা ভালো কাজ করতে যাচ্ছি, আমাকে করতে দেয়া হচ্ছে না।

মামলার প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার করা হয় মিরর গ্রুপের কর্ণধার শাহ জাহান ভূইয়া রাজুকে। ডিবি জানায়, তার বিরুদ্ধে আগেও ছিল প্রতারণার অভিযোগ।

বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের থেকে নগদ ৫ লাখ টাকা এবং ১০ লাখ টাকার একটি চেক হাতিয়ে নিয়েছে একটি বলে জানান ডিএমপি গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

তথ্য মন্ত্রণালয় নতুন আরেকটি প্রজ্ঞাপন দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে যাতে ১৮ নভেম্বরে নোরা ফাতেহির অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ কোনোভাবেই যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।

আরো পড়ুন