শোকসভা শেষে মারামারি; ইবি ছাত্রলীগের আট কর্মী বহিষ্কার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শোক দিবসের আলোচনা সভা শেষে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা৷ এ ঘটনায় জড়িত আট কর্মীকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদেরকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে চিঠি প্রেরণ করেছে শাখা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার সব শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন- জিয়াউর রহমান হলের ছাত্রলীগকর্মী ও আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শামীম রেজা ও একই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের পারভেজ হোসেন বানাত, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল কাদের, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আকিব মাসুদ অনুভব ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সাব্বির খান, শেখ রাসেল হলের ছাত্রলীগকর্মী হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আশিক কুরাইশী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ছাত্রলীগকর্মী হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শাহাদুল্লাহ সিদ্দিকী সাইমুন ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের তাসিন আজাদ।

আরও পড়ুন: ৫ ছাত্রীকে আজীবন বহিষ্কার: যা বললেন ‘নির্যাতিত’ হওয়া সেই ফুলপরী

প্রসঙ্গত, রোববার বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ মাহবুবউল আলম হানিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের ঝিনাইদহ জেলার শাখার সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই ও কুষ্টিয়া-১ আসনের সাংসদ আ ক ম সরোয়ার জাহান বাদশা। অতিথিরা ক্যাম্পাসে থাকাকালীন ছাত্রলীগ কর্মীরা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে টিএসসিসির সিঁড়িতে, আমতলা ও বঙ্গবন্ধু হলের সামনে দফায় দফায় মারামারি সংঘটিত হয়। শেখ রাসেল হল, জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু হল ও লালন শাহ হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা মারামারিতে যোগ দিলে চতুর্মুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের ৮ কর্মী আহত হয়। ঘটনাস্থলে একজন ছুরিকাঘাতের শিকার হন।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, শৃংখলা বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে ছাত্রলীগ কখনো ছাড় দেয় না। যে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে আমরা এর তদন্ত করে সাময়িক বহিষ্কার করেছি এবং স্থায়ী বহিষ্কার করতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নিকট চিঠি দিয়েছি।

#যুগান্তর

আরো পড়ুন