ঘূর্ণিঝড় আম্পান; পিরোজপুরে ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত

অনলাইন ডেস্ক অনলাইন ডেস্ক

সৃষ্টিবার্তা ডটকম

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২০

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে পিরোজপুরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। ফলে ঝুঁকিতে রয়েছে নদী পাড়ের গ্রামগুলোর কয়েক লাখ মানুষ। শুধুমাত্র মাটি দিয়ে তৈরি করায় ক্ষতিগ্রস্ত বাধের অধিকাংশই। তবে এসব বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আগামী বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আতঙ্কে দিন কাটছে নদীপাড়ের মানুষের।

বুধবার (২০ মে) রাতে পিরোজপুর সহ দক্ষিণাঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবল বেগে বয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে পিরোজপুরের কাঁচা, বলেশ্বর ও সন্ধ্যা সহ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধগুলো প্লাবিত হয়ে নদীপাড়ের গ্রামগুলোতে পানি প্রবেশ করে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানকার ঘরগুলো। ঝড় ও পানির তোড়ে ভেঙে গেছে অনেক ঘর ও ঘরের মেঝে।

তবে বাঁধগুলোর অধিকাংশ মাটি দিয়ে তৈরি হওয়তে জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে সেগুলো ধুয়ে নদীতে নেমে গেছে। তবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলেশ্বর নদীর পাড়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়ন এবং কঁচা নদীর পাড়ে ইন্দুরকানী উপজেলা।

তবে ঘূর্ণিঝড়ের পর এখন পর্যন্ত বাঁধগুলো মেরামতে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ স্থানীয়দের মাঝে। বাঁধগুলো মাটি দিয়ে তৈরি হওয়ায় কিছুদিন পরেই তা ভেঙে যায়। তাই নদীপাড়ের মানুষকে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা জন্য মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি তাদের।

তবে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে মেরামত করতে হবে বলে জানান পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ। পিরোজপুরের ৭টি উপজেলায় ২৯২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।