শ্রীবরদীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ

অনলাইন ডেস্ক অনলাইন ডেস্ক

সৃষ্টিবার্তা ডটকম

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২০

শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি; বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের মাঝেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শেরপুরের শ্রীবরদীতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নাই কোন পি.পি.ই। এছাড়া, নাই কোন স্বাস্থ্য বীমা ও ঝুঁকি ভাতা। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কৃষকদের মাঝে বিতরণ করছেন আউস প্রণোদনা। খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে ট্যাগ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সরকারি খাদ্য গুদামে ১০৪০ টাকা মণ দরে ধান ক্রয়ের তালিকা তৈরি করণ। প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ভিত্তিক আর্থিক সহায়তা কার্ডের তালিকার সত্যতা যাচাইকরণসহ সরকারের রাজস্ব প্রকল্পের প্রদর্শণী বাস্তবায়নের নানামুখী কাজ। সরকারের এমন জনহিতকরণ কাজের জন্য তারা নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। এতেকরে যেকোন সময় তারা আক্রান্ত হতে পারেন মরণঘাতি করোনাভাইরাসে। এরপরেও থেমে নেই তাদের কাজ।

এনিয়ে সিংগাবরুনা ইউনিয়নে নিয়োজিত উপ-সহকারী কৃষি অফিসার এস.এম লিটকনের সাথে কথা হলে, তিনি জানান, দেশের এই ভয়ানক সময়ে সরকারের কৃষি অধিদপ্তরের সকল প্রকার নির্দেশ মোতাবেক কাজ করে কৃষকের পাশে থেকে খাদ্যের যোগান তৈরি করে মানুষ বাঁচানোর মত দেশের সেবামুলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারায় আমি গর্ববোধ করি। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের মধ্যে মানুষের সেবা ও সরকারি নির্দেশনা পালনের মতো মহান কাজ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ফজলুর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কৃষির পরামর্শসহ কৃষকদের প্রণোদনা বিতরণ করছি, খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির চাল বিতরণে অংশ গ্রহণ করছি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কার্ডের যাচাই বাছাই কাজে অংশ গ্রহণ করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ্ হুমায়ুন দিলদার বলেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিজ নিজ ব্লকে অবস্থান করে নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। কৃষকের মাঠ পরিদর্শণকালে সরাসরি কৃষকের সাথে সাক্ষাত হওয়ায় সক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া কৃষকের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করার কারণেও সক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।

বিভাগীয় কাজের বাইরেও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কাজ বাস্তবায়নে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে।