দারুণ বোলিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অল্প রানেই আটকে দেয় ইংল্যান্ডের বোলাররা। ক্রিস জর্ডানের হ্যাটট্রিকের পর ব্যাটিংয়ে এসে বাজিমাত করেন ইংলিশ ব্যাটাররা। কোনো উইকেট না হারিয়ে বাটলারের তাণ্ডবে যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে
সুপার এইটে ওঠাই ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রাপ্তি। সীমাবদ্ধও থাকতে হলো এতটুকুতেই। একটু করে উঁকি দেওয়া সেমিফাইনালের স্বপ্ন অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে এসে। শুরুতে খরুচে বোলিং আর পরে
ডি ককের পর মিলারের তাণ্ডবে লড়াকু সংগ্রহ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাব দিতে নেমে খারাপ শুরুর পর মাঝে বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন লিভিংস্টোন ও হ্যারি ব্রুক। ব্রুক ফিফটি পূর্ণ করলেও শেষ পর্যন্ত
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের শক্তির ব্যবধানটা অনেক। তবুও দুই দল এখন একই মঞ্চে। টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১০ ম্যাচ খেলে চারটিতে জিতেছে, সবগুলোই মিরপুরে হওয়া একই সিরিজে। ২০২১ সালে ওই সিরিজের পর
ব্যাটিংয়ে হাল ধরেন সাকিব আল হাসান। তার হাফ সেঞ্চুরি, তানজিদ হাসান তামিম ও জাকের আলীর ব্যাটের রানে বাংলাদেশ পায় ভালো সংগ্রহ। কিন্তু একটা সময় অবধি বেশ ভালোভাবেই লড়াইয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস।
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হার দিয়ে আসর শুরু। এরপর ভারতকে অল্প রানে আটকে দিয়েও হার। এসব হতাশা কাটিয়ে কানাডার বিপক্ষে বল হাতে আগুণ ছড়ালেন মোহাম্মদ আমির-হারিস রউফরা। পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মোহাম্মদ
ম্যাচের মোড় ঘুরে বদলালো বারবার। বাংলাদেশের দিকেই ম্যাচ হেলে থাকলো বেশি। শুরুতে বোলারদের দাপট। এরপর ব্যাটিংয়ে শুরুতে বিপদে পড়লেও দলকে টেনে তোলেন তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু শেষ অবধি
লিওনেল মেসি সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন, আর সেখানে কাতার বিশ্বকাপের কথা উঠবে না তা কি করে হয়! যে বিশ্বকাপ তার ক্যারিয়ারকে দিয়েছে পূর্ণতা, দিয়েছে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ। তা নিয়ে কথা না বললে
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে কাল মাঠে নেমেছিল পাকিস্তান। এ ম্যাচে ম্যান ইন গ্রিনদের প্রতিপক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচটিতে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দল হেরেছে। সুপার ওভারে
বহুদিন ধরেই একটু আধটু আশার কথা শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে বড় কিছুর স্বপ্নের কথা বলা হয় প্রায়ই। কিন্তু কখনও শিরোপা তো দূর, কাছাকাছিও যেতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৯৯৯