কোভিড-১৯ সংক্রমণ আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি রুখতে সারাদেশে সোমবার (০৫ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। লকডাউন চলাকালে জরুরি কাজের জন্য সীমিত পরিসরে অফিস খোলা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের টিকার কোনো সঙ্কট হবে না। দ্বিতীয় ডোজের কার্যক্রম চলতে চলতে বাকি টিকা চলে আসবে। সোমবার (৫ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদের সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময়
লকডাউনের নির্দেশনা মেনে চলতে, দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (৫ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে এ কথা জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। এসময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ
রিকশায় চলাচলে বাধা নেই। বইমেলায় যাওয়া যাবে, এই বাহনে। সোমবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সাথে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এ কথা জানান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
রমজানে অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সিদ্ধান্ত
কোভিড-১৯ সংক্রমণ আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি রুখতে সারাদেশে সোমবার (০৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হলো সাত দিনের লকডাউন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারি নিয়ন্ত্রণের শেষ অস্ত্র লকডাউনের সুফল পেতে রোগী শনাক্ত, আইসোলেশন-কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতসহ রোগ-প্রতিরোধের
করোনা সংক্রমণ কমাতে সরকার ঘোষিত লকডাউনের প্রথম দিনে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। যানজট বেঁধেছে রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশ ও বাহির পথে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। তবে, হোটেল-রেস্তোরাঁ, শপিংমল ও দোকানগুলো
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার মুখ থেকে বেশি কিছু বলতে চাই না। এদের (হেফাজত) চরিত্রটা কী? গতকালই আপনারা দেখেছেন ইসলামের নামে, ধর্মের নামে, পবিত্রতার নামে এতো কিছু বলে অপবিত্র কাজ
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামীকাল সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে দ্বিতীয় দফায় এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। আজ রবিবার (৪ এপ্রিল) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
করোনার বিস্তার ঠেকাতে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আজ দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ১১ দফা নির্দেশনা হলো- ১. সকল প্রকার গণপরিবহন সড়ক,