মহামারী করোনায় কাবু হয়ে পড়েছে বিএনপি। একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছেন দলটির সিনিয়র নেতারা। অনেকে রয়েছেন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে। এর মধ্যে অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন সপরিবারে। করোনার এক বছরে প্রাণ গেছে
সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সোমবার রাত পৌনে বারোটার দিকে তাদের করোনা টেস্টের রেজাল্ট পজেটিভ আসে। বর্তমানে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন
করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তার করোনা টেস্টের রেজাল্ট পজেটিভ আসে। বিষয়টি মানবজমিনকে নিশ্চিত করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, গতকাল (বুধবার) করোনা টেস্ট
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে নেয়া হয়েছে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে। বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, রুহুল কবির রিজভীর কাশি ও জ্বর থাকায় অক্সিজেন
দেশের বিশিষ্ট ১১ নাগরিকের বিবৃতিকে ‘গণবিরোধী’ দাবি করে পাল্টা বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। বুধবার সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী গণমাধ্যমে পাঠানো এই বিবৃতিতে এমন দাবি করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিএনপি তাদের সকল কর্মসূচি স্থগিত করেছে। বুধবার (৩১ মার্চ) দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিএনপির দায়িত্বশীল
নারায়ণগঞ্জ জেলা হেফাজতে ইসলামের আমির ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল আউয়াল পদত্যাগ প্রত্যাহার করেছেন বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। বুধবার (৩১ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ
হেফাজতে ইসলাম বাড়িঘর ভাঙচুর, গাড়ি ভাংচুর করেছে। এটি কোনোভাবেই সমর্থন করি না। হেফাজত আন্দোলনের নামে যা করেছে এর বিরোধিতা করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, হেফাজতে
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তৃতীয়বার টেস্টেও করোনা পজিটিভ এসেছে। চিকিৎসা নিতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৭ মার্চ থেকে রাজধানীর স্কয়ার
মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা হেফাজতকে উস্কে দিচ্ছে। মির্জা ফখরুল যে বলছে সরকারের পতন হবে তিনি কিভাবে তা বলতে পারেন। বিএনপির সাংগঠনিকভাবে এমন কোন তৎপরতা নেই যে সরকারকে অস্থিতিশীল করতে