ads
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

নীল আগুনের পাহাড়

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৮৩ বার পঠিত

আগ্নেয়গিরির কথা শুনলেই মনে হয় টকটকে লাল লাভা গড়ানো উত্তপ্ত পাহাড়ের কথা। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার জাভা অঞ্চলের ‘কাওয়াহ ইজেন’ আগ্নেয়গিরি এ ক্ষেত্রে একেবারে ভিন্ন।

দূর থেকে দেখলে মনে হয় নীল আলোর ধারা গড়িয়ে পড়ছে পাহাড়ের গা বেয়ে। স্থানীয়রা এর নাম দিয়েছেন ‘নীল আগুনের পাহাড়’!

কাওয়াহ ইজেন আগ্নেয়গিরির লাভামুখ ১০০টি। ২০০২ সালে এটি দিয়ে সর্বশেষ অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল। এরপরই এর বিভিন্ন অংশ থেকে অনবরত সালফার বের হতে থাকে। নীল আলোর রহস্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা বলেন, এই সালফারের বাষ্প বাতাসে মেশার আগে এ থেকে নীলাভ আলো বের হয়।

রাতের বেলা এই আলো আরও জোরালো ও মোহনীয় হয়ে ওঠে। নীল আলোর এই আগ্নেয়গিরি দেখতে হলে পাড়ি দিতে হবে ১০ হাজার ফুট পাহাড়ি পথ। পূর্ব জাভা অঞ্চলের বানিওয়াঙ্গি থেকে শক্তিশালী ইঞ্জিনের গাড়িতে করে দু’ঘণ্টা পাহাড়ি পথে ছুটতে হবে। এরপর হাঁটা পথ।

তিন কিলোমিটার ওই পাহাড়ি বাঁকা পথ মাড়িয়ে তবেই দেখা মিলবে আগ্নেয়গিরির। আগ্নেয়গিরির পাদদেশে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সালফার সংগ্রহ করে স্থানীয় লোকজন। এগুলো বিক্রি করে তারা জীবিকা নির্বাহ করে তারা।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102