সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে এই মামলা করেছে তারা। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়,
ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিজ দপ্তরে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। পদত্যাগপত্রটি বর্তমানে সচিবের দপ্তরে রয়েছে। এখনও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার (০৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও
এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রিংলা ঢাকা সফরের শুরুর দিন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তারপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়া তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসানকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে, গত রবিবার রাতে একটি ফেসবুক
ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় নায়ক মামনুন হাসান ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাতনী ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। এছাড়াও এমন মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন ৪০ নারী
দেশের নির্মাতাদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সোমবার তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ
চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় যখন চারদিকে সমালোচনা শুরু হয় তখনই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান চট্টগ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের
নানা সমালোচনার নায়ক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন খবরে তার নির্বাচনী এলাকা জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ
শুধু মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করলেই হবে না, এমপি পদে থাকারও ন্যূনতম যোগ্যতা তার নেই। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসানকে নিয়ে এমনটাই বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল